সিলেট বিভাগে বাড়ছে করোনা কোয়ারেন্টিনে ৩৩০ জন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম.এ.কাদির(বাবুল) সিলেট, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ঃসিলেট বিভাগে গতকাল (২২ এপ্রিল)একদিনে ১৩ জনসহ ৩৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিদিনই নমুনা যাচ্ছে সিলেট ল্যাবে। এ সংখ্যা আরও বাড়বে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে আরও ৩৩০ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৯ জন, সুনামগঞ্জে ২২৫ জন, হবিগঞ্জে ৬৫ জন ও মৌলভীবাজারে ২৩ জন। হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৮ জন।

সিলেট বিভাগে নতুন করে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮০ জন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৩২৬ জন হবিগঞ্জে ২৯ জন, মৌলভীবাজারে ২৩ জন ও সিলেট জেলার ২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান জানান, সিলেট বিভাগে বর্তমানে মোট ২ হাজার ৮৬৩ জন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। এছাড়া গতকাল বুধবার (২২) ২২ এপ্রিল সিলেটে আরও ১৩ জন করোনা আক্তান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে হাসপাতালে আছেন ৫ জন।

এছাড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষ করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে অজ্ঞ। অবাধে চলাফেরা করছেন তারা। বাজারগুলোতে করছেন ভিড়। করোনার ভয়াবহতা যেন এখনো বুঝেনি গ্রামের মানুষ। এখনই সময় ঘরে ফেরার। না হলে মহা বিপদ। যদি তাদের সচেতন ও মানুষের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে বলেন,এবং দিনে কয়েকবার হ্যান্ডওয়াশ বা সাবান দিয়ে হাত ধৌতে বলেন তাদের অনেকাংশেই উত্তর অন্ধত্বের মত হয়ে থাকে। বেশির ভাগ গ্রামের মানুষ সত্যতা যাচাই না করেই তাঁরা বুঝতে চাইবেন না করোনায় আক্রান্ত মৃত্যুর লাশের স্তুপ। এই চিন্তাভাবনা গ্রামে বয়ে নিয়ে আসতে পারে ভয়াবহ দুর্যোগ। শিগগিরই করোনাভাইরাস রোধে গ্রামের মানুষকে সচেতন করা জরুরি।

সরকার সারা দেশে মাহফিল, সামাজিক–সাংস্কৃতিক প্রায় সব ধরনের জনসমাবেশমূলক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

পত্রিকাগুলো যথাসাধ্য চেষ্টা করছে সচেতনতা বৃদ্ধিতে। কিন্তু গ্রামে সচেতনতা খুবই কম। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার বা প্রশাসনের ও কমিউনিটি ক্লিনিকের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এখনো সময় আছে গ্রামের দিকে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন। আরও দেরি হলে এই ভুলের মাশুল দিতে হতে পারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here